রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেটরের অভাবে ১১ দিনে ৩৩ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালের পরিচালক ভেন্টিলেটর সংকটের বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেননি এবং এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘চিকিৎসার নৈতিকতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সোসাইটি অব সার্জনস আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেলে ১১ দিনে ৩৩ শিশু মারা গেছে। অথচ পরিচালক আমাদের জানাননি যে তাঁর কাছে ভেন্টিলেটর নেই। তাঁকে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত।
মন্ত্রী জানান, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিতে তিনি সরাসরি হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রথমে পরিচালক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করলেও পরে তদন্ত প্রতিবেদনে তা সঠিক প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি আর বিষয়টি অস্বীকার করতে পারেননি।
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে দ্রুত ভেন্টিলেটর সংগ্রহ সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রক্রিয়ায় দ্রুত কেনা কঠিন। তাই ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে কথা বলে জরুরি ভিত্তিতে তিনটি ভেন্টিলেটর কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি সরকারি অর্থে নয়, বেসরকারি উদ্যোগে হচ্ছে,” বলেন তিনি। আরও দুটি ভেন্টিলেটর সংগ্রহের প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের পেশাগত আচরণ ও নৈতিকতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রোগীরা চিকিৎসকদের ওপর গভীর আস্থা রাখেন, তাই চিকিৎসাসেবায় আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ ও ক্লান্তির কারণে ভুল হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শরীরে সুতা রেখে যাওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এছাড়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
শনিবার রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘চিকিৎসার নৈতিকতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সোসাইটি অব সার্জনস আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেলে ১১ দিনে ৩৩ শিশু মারা গেছে। অথচ পরিচালক আমাদের জানাননি যে তাঁর কাছে ভেন্টিলেটর নেই। তাঁকে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত।
মন্ত্রী জানান, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিতে তিনি সরাসরি হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রথমে পরিচালক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করলেও পরে তদন্ত প্রতিবেদনে তা সঠিক প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি আর বিষয়টি অস্বীকার করতে পারেননি।
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে দ্রুত ভেন্টিলেটর সংগ্রহ সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রক্রিয়ায় দ্রুত কেনা কঠিন। তাই ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে কথা বলে জরুরি ভিত্তিতে তিনটি ভেন্টিলেটর কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি সরকারি অর্থে নয়, বেসরকারি উদ্যোগে হচ্ছে,” বলেন তিনি। আরও দুটি ভেন্টিলেটর সংগ্রহের প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের পেশাগত আচরণ ও নৈতিকতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রোগীরা চিকিৎসকদের ওপর গভীর আস্থা রাখেন, তাই চিকিৎসাসেবায় আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ ও ক্লান্তির কারণে ভুল হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শরীরে সুতা রেখে যাওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এছাড়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
অনলাইন ডেস্ক